প্রকাশিত: Thu, Feb 23, 2023 2:05 PM আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 2:03 PM
দেশের সবগুলা করপোরেটের সাহিত্যিক তৎপরতা আপত্তিকর
শোয়েব সর্বনাম : নির্দিষ্ট করে কোনো অনুষ্ঠানের কথা না বললেও হবে দেশের সবগুলা কর্পোরেটের সাহিত্যিক তৎপরতা আপত্তিকর। দাওয়াত করে ডেকে নিয়ে ৪-৫ ঘণ্টা বসায় রাখে। সিনিয়র অতিথিদের অনেকের ব্যাকপেইন আছে, ইনসুলিন লাগে, ডায়ালাইসিস করায়ে আসছেন এমন অতিথিও দেখলাম একখানে। এই কর্পোরেটগুলা বসে থাকেন স্টেজে। মাইক্রোফোন হাতে পেলেই শৈশবে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। মা-বাবার কথা মনে করে আবেগপ্রবণ হয়ে যান। নারীরা সুন্দর করে সেজেগুজে আসেন। পুরো অডিটোরিয়াম অন্ধকার। যথেষ্ট দূরত্বে বসে থেকে কেউ কাউরে দেখে না। গেটে বিরক্ত পাহারাদার।
অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি স্টেজ থেকে বিস্ময় প্রকাশ করা হয় এত মানুষ কীভাবে এতক্ষণ ধরে বসে আছেন। আমি একটা সাহিত্য পুরস্কার অনুষ্ঠান থেকে চলে আসছিলাম স্টেজের এক সাইডে লাইন ধরে পুরস্কারপ্রাপ্তরা দাঁড় করায়ে রাখছে আর বিচারকরা মাঝখানে চেয়ার পেতে বসে আছে এইরকম একটা পরিস্থিতি দেখে। আরেক অনুষ্ঠানে দেখি বিচারকরা উঁচা চেয়ারে বসে পুরস্কারপ্রাপ্তদের জন্য টুল পেতে দিছে। চেয়ারের এই পার্থক্য রচনা পরিকল্পিত। তার চেয়ে বড় সমস্যা, বিচারকদের মধ্যে দুয়েকজন বাদে আর কোন সাহিত্যিক নাই। রাজনীতিবিদ, আমলা, কর্পোরেট এরা কেন সাহিত্যিকদের ডেকে এনে উঁচা চেয়ারে বসে থাকবে? তবে শুধু জেমকন সাহিত্য পুরস্কার আলাদা। এরা পুরস্কারপ্রাপ্তদের বিশেষ সম্মান রক্ষা করেন।
অতিথিদের গুরুত্ব ও মর্যাদা দেন, সময়ের মূল্য দেন।
প্রতিষ্ঠানটার মালিক কাজী শাহেদ আহমেদ উপস্থিত থাকাকালে অনুষ্ঠানগুলা ছিল যারপরনাই প্রানবন্ত। তিনি স্টেজে উঠেই ঘোষণা করতেন, সাহিত্য করার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করতেছেন উপন্যাস লেখতেছেন, কিন্তু কেউ তারে পাত্তা দিতেছে না। পরে লেখালেখি করতে গিয়ে জীবনে কতবার অপদস্ত হইছেন সেইসব হাস্যকর কাহিনি তুলে ধরতেন। বাগ্মীতায় তার দক্ষতা অসামান্য। আর এদের আড্ডার পর্বটা শুরু হতো খাওয়ার টাইমে। উপস্থিত প্রত্যেকের সঙ্গে তিনি হাসিমুখে আড্ডা দিতেন। এই লোকটা অসুস্থ এখন আর আসেন না, অনুষ্ঠানটা এখন লিট ফেস্টের অংশ এইসব কারণে এখন আর যাওয়া হয় না। অন্যগুলাতে যাওয়া হইতো। বাট এরা কালচার চেঞ্জ না করলে এইগুলাতেও আর যাওয়া হবে না। লেখক: কথাসাহিত্যিক
আরও সংবাদ
চ্যাম্পিয়ন ভারত : একটা ছোট মুহূর্ত কতো বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে
‘ওই ক্যাচ হয়নি, সুরিয়াকুমারকে আবার ক্যাচ ধরতে হবে’!
কতো দেশ, কতোবার কাপ জিতলো, আমাদের ঘরে আর কাপ এলো না!
সংগীতাচার্য বড়ে গোলাম আলি খান, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও আমি
ইন্ডিয়ান বুদ্ধিজীবী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও দেশের বুদ্ধিজীবী-অ্যাক্টিভিস্ট
মতিউর প্রতিদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৮৩ ব্যাচের বন্ধুদের গ্রুপে সৎ জীবন যাপনের উপদেশ দিতেন!
চ্যাম্পিয়ন ভারত : একটা ছোট মুহূর্ত কতো বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে
‘ওই ক্যাচ হয়নি, সুরিয়াকুমারকে আবার ক্যাচ ধরতে হবে’!
কতো দেশ, কতোবার কাপ জিতলো, আমাদের ঘরে আর কাপ এলো না!
সংগীতাচার্য বড়ে গোলাম আলি খান, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও আমি
ইন্ডিয়ান বুদ্ধিজীবী, ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্র ও দেশের বুদ্ধিজীবী-অ্যাক্টিভিস্ট